Log in

I forgot my password

Who is online?
In total there are 6 users online :: 0 Registered, 0 Hidden and 6 Guests

None

[ View the whole list ]


Most users ever online was 110 on Tue Aug 01, 2017 7:51 am
RSS feeds


Yahoo! 
MSN 
AOL 
Netvibes 
Bloglines 



মেস ও মাসী/কামদেব

View previous topic View next topic Go down

20140609

Post 

মেস ও মাসী/কামদেব





আজ রবিবার।সবাই দেশে চলে গেছে,মেস ফাকা।আবার সোমবার সবাই ফিরে আসবে,মেস গম গম।সেন-দা এবার দেশে যায়নি।ওর মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে কোথায় যাবার কথা।আমার কোথাওযাবার জায়গা নেই,একা পড়ে থাকি মেসে,আর এদিক-ওদিক ঘুরে সময় কাটাই।অন্যদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়।আমি বাংলা নিয়ে পড়ি।ঘুম ভাংতে একটু দেরী হল।মাথার কাছে রাখা হাতঘড়িতে দেখলাম, কাঁটা সাতটা পেরিয়ে চলেছে।ধড়ফড় করে উঠে বসলাম। লুঙ্গিটা কোমরে ভাল করে প্যাচালাম। লিনেনের লুঙ্গি,সহজে আলগা হয়ে যায় গিট থাকতে চায়না। এতবেলা হয়ে গেছে চা দিয়ে গেলনা? সেন-দা কি বেরিয়ে গেছে? কাজের মাসী কি আসেনি? রান্নাঘর থেকে
বাসনের শব্দ পাচ্ছি,তার মানে মাসী এসেছে।
রোববার মেস ফাকা,তাড়া নেই মাসীও তা জানে। চোখেমুখে জল দিয়ে রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম।দেখি কি ব্যাপার? যা দেখলাম তাতে বিষম খাবার মত। দু-পা ফাক করে মাসী একটা গাজর গুদের মধ্যে ঢুকিয়ে নাড়ছে। আমার উপস্থিতি টের পেয়ে চমকে কাপড় নামিয়ে দিল।এখন ভাবছি রান্না ঘরে না এলেই ভাল হত। নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম, কি ব্যাপার এত বেলা হল চা দিলে না?
মাসী আমতা আমতা করে বলল, ওঃ দাদাবাবু? এই দি-ই।সেন-দা চা খেয়ে বেরিয়ে গেল,তুমি ঘুমুচ্ছিলে তাই...।
কথা শেষ হবার আগেই আমি চলে এলাম আমার ঘরে।মাসীর একটা পোষাকি নাম আছে পারুল।সবাই মেসে মাসী বলেই ডাকে, ওটাই এখন মাসীর নাম।ষাট ছুই-ছুই সেন-দাও মাসী বলে।কত বয়স হবে পারুলের?পয়তাল্লিশের কম নয় বলেই মনে হয়।কাজের মধ্যে আছে বলেই শরীর স্বাস্থ্য দেখে বোঝার উপায় নেই মাসী বছর কুড়ি ছেলের মা।এইচ.এস পাশ করে কি একটা ছোটখাটো
চাকরি করে।অল্প বয়সে বিধবা হবার পর লোকের বাড়ি কাজ করে ছেলেকে বড় করেছে।স্বামী ছেড়ে গেলেও যৌবন-জ্বালা তো ছেড়ে
যায় নি।মাসীর প্রতি উষ্মার ভাবটা এখন খানিক প্রশমিত।
--দাদাবাবু তোমার চা।মাসীর দৃষ্টি আনত।
মাসীকে দেখে অস্বস্তি বোধ হয়।তাকিয়ে দেখলাম এক হাতে চায়ের কাপ আর এক হাতে প্লেটে কযেক টুকরো টোষ্ট।দুহাত বাড়িয়ে
প্লেটদুটো নিলাম।মাসী দাঁড়িয়ে আছে,যায়নি।
--কিছু বলবে----?
--দাদাবাবু খুব অন্যায় হযে গেছে।তুমি কাউকে বোলনা।
--দ্যাখো এ রকম করলে ইনফেকশন হবার ভয় থাকে,তা ছাড়া তুমি আবার ওগুলো রান্না করবে.......।
কথা শেষ হতে না হতে মাসী আমার পা জড়িয়ে ধরে। লুঙ্গি খুলে যাবার উপক্রম।দুহাত জোড়া লুঙ্গি সামলাবো তার উপায় নেই। বিরক্ত হয়ে বললাম,আঃ কী হচ্ছে কী পা ছাড়ো।
--না,তুমি বিশ্বাস করো আর ইনফেসন হবেনা।কি যে হল আমার শরীরের মধ্যে.....
--কি মুস্কিল পা ছাড়ো--।
--না, তুমি বলো আমায় মাপ করেছ?যা আশঙ্কাকরেছিলাম, টানাটানিতে লুঙ্গির বাধন আলগা হয়ে একেবারে পায়ের নীচে। উরুসন্ধি হতে ঘড়ির পেণ্ডুলামের মত বিঘৎ খানেক লম্বা বাড়াটা ঝুলছে।মাসী অবাক হযে তাকিয়ে থাকে।চোখদুটো লোভে চিকচিক করে।
--কি সোন্দর! দাদাবাবু একটু ধববো?অনুমতির অপেক্ষা না করেই হাতের মুঠোয় চেপে ধরে বাড়াটা। মেয়েলি হাতের স্পর্শ পেয়ে
কাঠের মত শক্ত হযে যায়।আমি অবাক হযে দেখছি।শিরদাড়ার মধ্যে শিহরণ খেলে যায়।পুরো বাড়াটা সুরসুর করে মুখে পুরে নেয়।খানিক চোষার পর খেয়াল হয় রান্না চাপিয়ে এসেছে বলে, তুমি চা খেয়ে নাও আমি রান্নাটা শেষ করে আসি।মাসী চলে যায়। এতক্ষন যেন সম্মোহিত ছিলাম।
স্বামী চলে গেলেও কাম-তাড়না পিছু ছাড়েনি।কাম মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে মানুষ নিজেই জানেনা।শরীরে একটা অস্বস্তি
জড়িয়ে আছে। স্নানের সময় একবার খেচে দিলে কেটে যাবে।লালায় মাখামাখি বাড়া।একটা ছেড়া কাপড় দিয়ে মুছে টোষ্ট চিবোচ্ছি।বাড়াটা সম্পুর্ণ নেতিয়ে যায় নি।চা নিয়ে ঢুকল মাসী। মুখে মৃদু হাসি চাপা। এক কাপ এগিয়ে দিল পারুল আর এক কাপ নিজে দাঁড়িয়ে
দাঁড়িয়ে চুমুক দেয়।মনে মনে ভাবে দাদাবাবুকে কি জাগাতে পারেনি?এমন তো হবার কথা নয়।আশা করেছিল পিছু পিছু রান্না ঘরে
আসবে জড়িয়ে ধরবে।পারুল মৃদু আপত্তি করবে। দাদাবাবু বলবে,আমি আর পারছি না পারুল। সেসব কিছু না দিব্যি টোষ্ট চিবোচ্ছে।নারীত্বের অহমিকায় লাগে।আরও ভাল করে জাগাতে হবে দাদাবাবুকে।ধ্বজভঙ্গ নয় মুখে নিয়ে বুঝেছে।শেষে মনে হচ্ছিল যেন ঢেকির মোনা।
--দাঁড়িয়ে কেন বোসো।ভদ্রতার খাতিরে বলি।
পারুল একেবারে গা ঘেষে বসে।এক সময় বলে,আমাকে তুমি বাজারি মেয়ে ভেব না।অভাবে পড়ে বাড়ি বাড়ি কাজ করি।একবার এক বাড়িতে মেম সাহেব স্নানে ঢুকেছে আর সাহেব গামছা পরে একেবারে রান্না ঘরে হাজির।আমার হাতে গরম খুন্তি,গামছার ভিতর দিয়ে
দেখতে পাচ্ছি সাহেবের বাড়াটা চামচিকের মত ঝুলছে।ভাবলাম যা থাকে কপালে বললাম,এখান থেকে যান না হলে.....।হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে পারুল।তারপর একটু দম নিয়ে বলে,কি বলব দাদা বাবু একেবারে শিয়ালের মত দৌড়।আমি মেমসাহেবকে
বললাম,কাল থেকে আমি আসবো না।
--কাজ ছেড়ে দিলে? অবাক হয়ে জ়িজ্ঞেস করি।
--ছাড়বো না? শিয়াল যখন একবার পাকা কাঁঠালের গন্ধ পেয়েছে সে বারবার ঢু মারবে।তাছাড়া ওদের এক যোয়ান ছেলে আছে।একদিন চা দিতে গিয়ে দেখি,বাড়া বের করে খেচছে।চোখমুখের কি অবস্থা একটা খুনির মত।হিট উঠলে মাথার ঠিক থাকেনা।তবে আমি এতে কোনো দোষ দেখিনা।যোয়াণ সোমত্ত ছেলে বে-থা হয়নি হিট উঠলে কিছু তো করতে হবে।ওর বাপের মত অন্য মাগির পিছু নেয়নি।
মাসীর কথা শুনতে শুনতে বাড়ার তড়পানি শুরু হয়।ঠ্যাঙ্গের উপর ঠ্যাং তুলে কাচি মেরে বসি।মাসী আড় চোখে দেখে বলে,কিছুমনে
কোরনা,তোমায় একটা কথা জিজ্ঞেস করি,দেশে সবার পরিবার আছে ফি-সপ্তাহে দেশে গিয়ে শেতল হযে আসে। তুমি কি ভাবে
নিজিরি সামাল দাও?
--তোমার কথা বুঝলাম না।
--আহা!ন্যাকা,নাক টানলে দুধ বের হয়।নাও দুধ খাও।
মাসী চকিতে বুকের বোতাম খুলে মাইটা আমার মুখে পুরে দেয়।হাতের লক্ষী পায়ে ঠেলে আহাম্মোক।আমি এক হাতে একটা টিপতে
এবং আর একটা চুষতে শুরু করলাম।মাসী আমার বাড়া চেপে ধরে।দুজনেই উলঙ্গ,বুকের সঙ্গে আমাকে চেপে ধরে টেনে তোলে।তারপর সাপের শংখ লাগার মত সারা ঘর দাপিয়ে বেড়াতে লাগলাম।মনে হচ্ছে মাসী যেন দুটো শরীর এক সাথে মিশিয়ে দিতে চাইছে।পাশের ফ্লাটের জানলা থেকে একজন মহিলা সরে গেল।এক সময় ঠেলতে ঠেলতে আমাকে চৌকির উপর ফেলল,নিজে চিৎ হয়ে পা-দুটো
ফাক করে গুদ কেলিয়ে দিল।পাপড়ি বেরিয়ে গেছে। হাফাচ্ছে,ঠোটে মিটমিট করছে হাসি।আমার বাড়ার অবস্থা কি,কাউকে আর বুঝিয়ে বলার দরকার আছে?
মাসী বলল,ফাটাও দেখি কেমন মরদ?
নীচু হয়ে বালে ঢাকা গুদটা দু-আঙ্গুলে ফাক করি।পাপড়ি ফুটে এমন ছড়িয়ে গেছে,বুঝলাম মুখে যাই বলুক গুদের উপর নির্যাতন কম হয়নি।কত জনের রসে ধৌত হয়েছে কে জানে।গুদের মুখে নাক লাগিয়ে ঘ্রান নিই।গুদের গন্ধ আমার খুব প্রিয়।অনেকটা দেশি মদের মত,প্রথমটা একটু কটু লাগলেও নেশা ধরে গেলে আর টের পাওয়া যাবেনা।গন্ধ শরীরে ঢুকে রক্তে তুফান ছোটে।
মাসী তাগাদা দেয়,কি করছো? অত দেখার কি আছে,ওরে বোকা চোদা গুদ দেখিস নি আগে?তোর লাঙ্গলের মত বাড়া দিয়ে শুরু কর চাষ।চষে চষে রস বার করে ফেল।
উত্তেজনায় মাসি তুই-তোকারি শুরু করেছে।আমি বাড়াটা গুদের মুখে ঠেকিয়ে চাপ দিই।মুণ্ডীটা পুচ করে ঢুকে যায়।মাসী ককিয়ে
ওঠে,উর-উর-ই-উর-হি-ই-, একেবারে গুদের দেওয়ালে সেটে গেছে।এবার আন্দার-বাহার কর।ঘষটাতে ঘষটাতে ঢুকবে আর বেরোবে।
আমি গদাম গদাম করে ঠাপাতে শুরু করি।ঠাপের চোটে মাসীর শরীর কেপে উঠছে।আমিও পালটা খিস্তি করি, নে চুত মারানি সামাল দে।তোর চুতের জ্বালা বের করছি রে মাগি।
--আহা-রে,কি সুখ দিচ্ছো নাগর?এমন গাদন কতকাল খাইনি।
--তোমার ভাল লাগছে মাসী?
--কে তোর বাপ-কেলে মাসী? মাসী খেচিয়ে ওঠে বলে,আমি তোর মাগ রে হারাম জাদা।শুনেছিস কোনো দিন, গাদন খেতে ভাল লাগে না কোনো মাগী বলেছে?
চোদার সময় খিস্তি করলে নাকি শরীর চাঙ্গা হয়।আমি বললাম,ওরে মাগী আজ তোর বিষ ঝেড়ে দেব।
--কে তোকে মাথার বিব্যি দিয়ে মানা করেছে,কথা বলার সময় মেশিন বন্ধ করবি না।তোর রস নিংড়ে নে নারে নাগর তবেই আমার শান্তি।শরীলে কি জ্বালা তুই বুঝবি নারে--।
পাগলের মত ঘা মারতে থাকি।আমার তলপেট মাসীর পাছায় গিয়ে থপ্-স থপ-স করে লাগছে।কিছুক্ষন পর মৃগী রুগির মত মাসী
ছটফটিয়ে ওঠে।আহ-ই আহ-ই আহ-ই,উহু-উ উহু-উ উহ-উ-।আমার কোমর জড়িয়ে ধরে কোলের দিকে টানতে থাকে।তারপর একে বারে নিস্তেজ শিথিল শরীরটা এলিয়ে পড়ে বিছানায়। কিন্তু আমার থামলে চলবে না,ঘোড়া ছুটিয়ে চলেছি।ঘ-চর..ঘচ--ঘ-চর..ঘচ।রসে ভরা গুদে বাড়ার আসা-যাওয়ায় শব্দ হতে থাকে।
--দাদাবাবু তোমার হয়নি? করো.....করো ...আমি আছি,যত ইচ্ছে করে যাও।
@সমাপ্ত@(পরের অংশ 'ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে।')
avatar
kumdev

Posts : 55
Join date : 2014-06-06
Age : 67
Location : Kolkata

View user profile

Back to top Go down

Share this post on: Excite BookmarksDiggRedditDel.icio.usGoogleLiveSlashdotNetscapeTechnoratiStumbleUponNewsvineFurlYahooSmarking

 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum